মন্ত্রিসভা ত্যাগে সময় চান এরশাদ


প্রকাশিত: ০২:২০ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
ফাইল ছবি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে আমাকে আরো কিছু সময় দিতে হবে। গত পৌরসভা নির্বাচনে ভরাডুবির জন্য বিরোধী দলে থেকে মন্ত্রিত্ব নেয়াকে মূল কারণও মনে করেন তিনি।

বুধবার বনানীর নিজ কার্যালয়ে ইউপি নির্বাচনে দলের মনোনয় প্রত্যাশীদের হাতে প্রত্যয়নপত্র তুলে দেন তিনি। এসময় এসব মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, আমি নিজেও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে মনোনীত হয়েছি। সত্যি কথা বলতে আমি জাতীয় পার্টির ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত ছিলাম। দল দিশেহারা ছিল। কিন্তু সে অবস্থা থেকে আমরা মুক্ত হচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, আমি আস্তে আস্তে দলের ভার জিএম কাদেরের হাতে তুলে দিচ্ছি।

এদিকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার জানান, ৭৩৯টি ইউপির মধ্যে বুধবার ২০৫টির প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এটা অব্যাহত থাকবে।

যদিও এর আগে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল ১৭ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এরশাদ। এর মাধ্যমেই প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে।

বুধবার জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তেমন দেখা যায়নি।

বেলা সাড়ে ১২টা  থেকে একটার মধ্যে এরশাদ ২ থেকে ৩ জনের হাতে প্রত্যয়নপত্র তুলে দেন।

তবে ইউপি নির্বাচনের সার্বিক বিষয়ে দলের কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, প্রতিটি জেলায় মনিটরিং টিম গঠন করা হবে। কেন্দ্রীয় ফোরাম তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবে। জাতীয় পার্টি ইউপি নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে। এর মাধ্যমে সাংগঠনিক অবস্থানকে তরান্বিত করতে চাই।

জাপায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংখ্যা কম কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, সবে তো শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত দেখা যাক, কেমন লোক আসে।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জাতীয় পার্টি কোনো শঙ্কা প্রকাশ করছে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার এখনই কোনো কিছু আশঙ্কা করছি না।

এরশাদের কার্যালয় থেকে ২০৫ জনের নাম চূড়ান্ত ঘোষণা করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের নামের কোনো তালিকা দিতে পারেনি চেয়ারম্যানের কার্যালয়।

এএম/এএইচ/এসএইচএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।