‘খালেদার কাছে দেশ মানে রাজাকারের কাছে ইজারা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৫৫ পিএম, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চার অপরাধের দায়ভার নিয়ে সংবিধানের চার নীতি মানতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ (একাংশ) সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পাদদেশে জাসদের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জনসমাবেশে তিনি একথা বলেন।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ইতিহাস ধামাচাপা, খুনি রক্ষা, রাজাকার-জঙ্গির সঙ্গে ঐক্য আর আগুন সন্ত্রাসের চার অপরাধের দায়ভার নিয়ে খালেদা জিয়া এখনো চক্রান্ত ছাড়েননি, রাজকার ও জঙ্গির সম্পর্ক ছাড়েনি, তাই খালেদার কাছে দেশ মানে রাজাকারের কাছে ইজারা। তার চোখের জলে সামরিকতন্ত্রের ময়লা যায় না, তাকে (খালেদা জিয়াকে) ৩০ লাখ শহীদ, গণহত্যা, জাতির পিতা, সংবিধানের চার নীতি মানতে হবে, রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গি ছাড়তে হবে।

তিনি বলেন, যতদিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এবং শোষণ-বৈষম্য অবসানে দোদুল্যমানতা বা ভীরুতার বিপরীতে সাহস দেখানোর প্রশ্ন থাকবে, ততদিন জাসদের চাহিদা থাকবে। ডান-বাম বা জাসদ পরিত্যাগকারীরা যতই অপবাদ দিক না কেন, জাতির প্রতি দায়িত্ব পালন থেকে জাসদকর্মীদের দূরে সরাতে পারেনি। বাংলাদেশের আত্মাকে ধারণ করে বলেই জাতীয় রাজনীতিতে জাসদের উপস্থিতি অনিবার্য।

যারা জাসদের সমালোচনা করেন তারা জাসদকেই তাদের পাশে চান এমন দাবি তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাসদ জঙ্গি-দমনে আপসহীন, বৈষম্য কমাতে অটল, দলবাজি বন্ধে বলিষ্ঠ, দুর্নীতি বন্ধে কঠোর, উন্নয়নের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছাতে সমাজতন্ত্রের ধারক। জাসদ সময়ের সঙ্গে হাঁটে, দেশ-জনগণের পক্ষে থাকে, সমাজ বদলের পতাকা হাতে থাকে সামনে সবার।

এ সময় ‘জঙ্গি ধ্বংস করতে মহাজোট সরকার আর বৈষম্য-দারিদ্র্য দূর করতে দরকার জাসদ ও সমাজতন্ত্র’ বলেও মন্তব্য করেন জাসদ সভাপতি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল আলম, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, মীর হোসাইন আখতার, নূরুল আখতার, নাদের চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন মোল্লা প্রমুখ।

এইউএ/একে/আইআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।