সরকার চাইলে রমজানে বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কাজ করবে সেনাবাহিনী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:০১ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জনগণের জানমাল এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও স্থাপনার নিরাপত্তাসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আসন্ন মাহে রমজানে বাজারে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকার চাইলে কাজ করবে সেনাবাহিনী।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে গত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

আসন্ন মাহে রমজানে বাজারে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না, এমন প্রশ্নে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের একটি বিশেষ মন্ত্রণালয় এবং একটি বিশেষ দল আছে। যারা এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত, তারা এটা বিবেচনা করছে। সরকার যদি সহায়তা চায়, তবে সেনাবাহিনী কাজ করবে।

তিনি বলেন, সেনাসদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন সংস্থা, গণমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ ব্রিফিংয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এ সম্পর্কে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৫০ দিনে ১৭২টি অবৈধ অস্ত্র এবং ৫২৭টি গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। এ সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে (মূলত গাজীপুর, আশুলিয়া ও সাভার এলাকায়) ৮৮টি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মূল সড়কে ৩০টি অবরোধ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। শিল্পাঞ্চল ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যরা বিগত এক মাসে ৪২টি বিভিন্ন ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। এর মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত ১৪টি, সরকারি সংস্থা বা অফিস-সংক্রান্ত ৩টি, রাজনৈতিক কোন্দল ৯টি এবং অন্য বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ১৬টি।

গত এক মাসে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২ হাজার ১৪২ জনকে গ্রেফতার করার তথ্য ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন কর্নেল শফিকুল ইসলাম। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মব জাস্টিসসহ যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি, চুরি, রাহাজানি ও হত্যা আগের চেয়ে অনেক কমে এসেছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে যারা আহত হয়েছেন, তাদের অনেককে সেনাবাহিনী চিকিৎসা দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন শফিকুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৮৫৯ জনকে দেশের বিভিন্ন সিএমএইচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪১ জন এখনো চিকিৎসাধীন।

টিটি/এমএইচআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।