স্মৃতির অ্যালবামে প্রিন্স ফিলিপ
পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেলেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ। ‘ডিউক অব এডিনবারা’ খেতাবধারী এই যুবরাজের বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর। তিনি ব্রিটিশ রাজভবন উইন্ডসর ক্যাসেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জেনে নিন তার জীবনে আলোচিত কিছু অধ্যায়।










