ভিডিও EN
  1. Home/
  2. জাগো জবস

বৃত্তি ও দেশ-বিদেশে চাকরি দিচ্ছে টিটিটিআই

প্রকাশিত: ০১:৪৭ পিএম, ১৪ জুন ২০১৭

গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ট্রাস্ট টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (টিটিটিআই) সামরিক ও বেসামরিক নারী-পুরুষকে বিনা টিউশন ফিতে প্রশিক্ষণ, ভাতা ও চাকরির সংস্থান করে দিচ্ছে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে প্রতিষ্ঠানটি ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৮৫ জন সামরিক ও ৪ হাজার ৩৭০ জন বেসামরিক শিক্ষার্থীকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলেছে।

বুধবার সকালে ১৬তম সেশনের কোর্স সম্পন্নকারীদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তানভীর ইকবাল, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।

এ সময় ওই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টিটিটিআইয়ের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) আছয়াদুর রহমান খান পিএসসি।

অধ্যক্ষ আছয়াদুর রহমান খান জানান, ২০০৯ সালের ১জুন টিটিটিআই যাত্রা শুরুর পর থেকে এ যাবত বিভিন্ন ট্রেড কোর্সে প্রায় ৮ হাজার নর-নারীকে বিনা টিউশন ফিতে প্রশিক্ষণ ও মাসিক ৭০০ টাকা করে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের দেশ-বিদেশে চাকরির সংস্থানও করে দেয়া হয়েছে।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, বর্তমান সেশনে (জানুয়ারি-জুন ২০১৭) সর্বমোট ১ হাজার ১৮ জন শিক্ষার্থী ৮টি বিভিন্ন ট্রেড কোর্স সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে ৩১৪ জন সামরিক এবং ৭০৪ জন বেসামরিক ছাত্র-ছাত্রী ছিল।

এছাড়া ৩০ জন বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছেন এবং আরও ২০০ জনের চাকরি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাংকের অনুদানে প্রতি সেশনে ৩০০ জন গরীব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বিনা বেতনে প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রতিজনকে প্রতিমাসে ৭০০ টাকা করে বৃত্তি প্রদান করে থাকে।

এছাড়াও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’র (এডিপি) আওতায় স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে ৩০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। যাদের প্রতিজনকে মাসে ৩ হাজার ১২০ টাকা করে বৃত্তি দেয়া হয় এবং সফল প্রশিক্ষণ শেষে সকলের চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।

গত বছর এ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৫০জন কাতারে চাকুরি পেয়েছে। বর্তমানে কুয়েত, সৌদি ও মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানীর প্রক্রিয়া চলছে।

মো. আমিনুল ইসলাম/এএম/পিআর