ভিডিও EN
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

মূলধন উত্তোলনে আবেদনের সময় বাড়ল ৬০ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:০৬ পিএম, ০৩ মে ২০২১

মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ও সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ বিবেচনায় নিয়ে ডেবিট ও ইক্যুইটি সিকিউরিটি ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন উত্তোলনের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে ৬০ দিন সময় বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

এর ফলে কোনো কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করতে চাইলে একটি প্রান্তিক শেষ হওয়া ১৮০ দিনের মধ্যে ওই প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একটি প্রান্তিক শেষ হওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে ওই প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন দিয়ে আইপিও আবেদন করতে হয়।

কোম্পানির আইপিও আবেদনের পাশাপাশি বন্ড ইস্যু করে অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রেও ৬০ দিনের অতিরিক্ত এই সুবিধা পাওয়া যাবে। স্বল্প মূলধনের কোম্পানি কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) ক্ষেত্রেও এই সুবিধা পাবে।

এ বিষয়ে রেজাউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি প্রান্তিক শেষ হওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে ওই প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন দিয়ে আবেদন করতে হয়। বর্তমান মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ও সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ বিবেচনায় নিয়ে কমিশন এই সময় সীমা আরও ৬০ দিন বাড়িয়ে দিয়েছে। এ হিসেবে একটি প্রান্তিকে শেষ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে এখন আবেদন করা যাবে। আইপিও’র পাশাপাশি সকল ধরনের মূলধন উত্তোলনের ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হবে।

তিনি জানান, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এবং ডিপোজিটরি আইন, ১৯৯৯ এবং উহাদের অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা, নির্দেশনা এবং আদেশ অনুযায়ী বিভিন্ন আর্থিক হিসাব বিবরণী, প্রতিবেদন, তথ্যাদি ইত্যাদি কমিশন বা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিপোজিটরি কোম্পানিতে দাখিলের ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের সময়সীমা উল্লেখিত সিকিউরিটিজ আইনে নির্ধারিত সময়ের সাথে অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

এদিকে কমিশন সভায় বিদেশি কোম্পানিকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্পন্সর হিসেবে অংশগ্রহণ করার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর ফলে বিদেশ কোম্পানি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্পন্সর হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এছাড়া কমিশন সভায় ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড বিধির খসড়া জনমত যাচাই পরবর্তী অনুমোদন করা হয়েছে। শিগগির এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

এমএএস/এমএসএইচ/জেআইএম