শিশু আবিদুল্লাহকে বাঁচাতে সহায়তার আবেদন পরিবারের

জন্ম থেকে হৃদযন্ত্রের সমস্যা শিশু আদনান আবিদুল্লাহর। এখন তার বয়স চার বছর। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমস্যা প্রকট হচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্ত হয় তার স্বাভাবিক বৃদ্ধি। শারীরিক নানা সমস্যায় খাওয়াদাওয়া ও চলাফেরা যেন শিশুটির জন্য যুদ্ধের মতো। হার্টে ছিদ্র নিয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে শিশুটির।
আবিদুল্লাহ চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেপুর ইউনিয়নের বড়দারোগারহাট এলাকার মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের কর্মচারী মো. ছালাম ও নুসরাত জাহান দম্পতির একমাত্র সন্তান। জন্মগতভাবে সে হৃদ্রোগে আক্রান্ত। উন্নত চিকিৎসা পেলে এ রোগের প্রতিকার মিলতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ জন্য প্রয়োজন সাত লাখ টাকা।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দরিদ্র পরিবারটির পক্ষে এ অর্থ জোগানো অসম্ভব হওয়ায় আবিদুল্লাহ চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। খামারের অদূরে বাবা-মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করা অসুস্থ শিশুটির দিন কাটছে তীব্র যন্ত্রণায়। মা-বাব এ যন্ত্রণা সইতে পারে না পারলেও অর্থ সংকটে শুধু চোখের পানি ফেলছেন। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে একমাত্র সন্তানকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে তারা সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
আবিদুল্লাহর পিতা মো. ছালাম বলেন, আমার ছেলে জন্মগতভাবে হার্টের সমস্যায় ভুগছে। তার হার্টে ছিদ্র ধরা পড়েছে। হার্টের রক্তনালী চিকন হওয়াতে সে যখন কাঁদে তখন তার শরীর নীল বর্ণের হয়ে যায়। তখন তার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। ডাক্তার বলেছে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগের প্রতিকার সম্ভব। এতে প্রায় সাত লাখ টাকা ব্যয় হবে। কিন্তু আমার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা পেলে আমার একমাত্র ছেলেটাকে বাঁচাতে পারবো। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এম মাঈন উদ্দিন/এমএন/এএসএম
বিজ্ঞাপন