প্রথম ঘণ্টায় পতনে শেয়ারবাজার, লেনদেনে ধীরগতি
টানা পাঁচ কার্যদিবস দরপতনের পর সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২১ ডিসেম্বর) লেনদেনের শুরুতে শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে, কমেছে প্রায় তার পাঁচগুণ। সেইসঙ্গে লেনদেনের ধীরগতি রয়েছে।
প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মাত্র পাঁচ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ৮ পয়েন্ট। আর লেনদেন হয়েছে একশো কোটি টাকার কম।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) প্রথম ঘণ্টার লেনদেন সূচক নিম্নমুখী রয়েছে। সেইসঙ্গে দাম বাড়ার তালিকার থেকে দাম কমার তালিকায় রয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান।
মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে দাম বাড়া বা কমার তুলনায় দাম অপরিবর্তিত থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম ফ্লোর প্রাইসে (দাম কমার সর্বনিম্ন সীমা) আটকে রয়েছে। ক্রেতা না থাকায় যাদের কাছে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট আছে তারা বিক্রি করতে পারছেন না।
এদিন শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরু হতেই ডিএসইর প্রধান সূচক আগের দিনের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
লেনদেনের শুরুতে দেখা দেওয়া এ ঊর্ধ্বমূখী প্রবণতা ১০ মিনিটও স্থায়ী হয়নি। বরং লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়েছে দরপতনের তালিকা।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১১টা ৬ মিনিটে ডিএসইতে মাত্র ১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৬৯টির। আর ১৩১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এতে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৯ পয়েন্ট। তবে অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে দশমিক ২৭ পয়েন্ট। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক এক পয়েন্ট কমেছে। এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
অপর শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৮৬ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ৭২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৪টির, কমেছে ২৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির।
এমএএস/এমএএইচ/জেআইএম