৫ কোটির সেতুর ভরসা বাঁশের সাঁকো

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী
আয়শা সিদ্দিকা আকাশী আয়শা সিদ্দিকা আকাশী , জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ১১:৩০ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের একটি সেতুতে উঠতে হয় বাঁশের সাঁকো দিয়ে। এতে এলাকার মানুষকে যাতায়াতের জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ভাটবালী থেকে সূর্যমনি বাজারে যাতায়াতের জন্য সূর্যমনি খালের ওপর পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে প্রায় এক বছর আগে ৪২ মিটারের সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। কিন্তু সেতুতে উঠতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ফলে কালকিনি উপজেলার ইউনিয়নের রায়পুর, ভাটবলী, বড় চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে চলাচলের জন্য বাঁশের সাঁকো দিয়ে সেতুতে উঠতে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:

স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, কৃষক আব্দুল জলিল, মো. জব্বার, ব্যবসায়ী সাদিক হোসন, নাজমুল হোসেন, শিক্ষার্থী মাসফিকুর রহমান ও তাওসিফুর রহমানসহ কয়েকজন বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা ব্রিজে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক। এখন শুকনো মৌসুম। তাই কোনোরকম চলে যাচ্ছে। কিন্তু বর্ষা মৌসুম এলে ভোগান্তি আরও বেড়ে যাবে। তাই দ্রুতই সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৫ কোটির সেতুর ভরসা বাঁশের সাঁকো

সূর্মমনি বাজার কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসান মুন্সী বলেন, প্রায় এক বছর আগে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। কিন্তু সেতুতে সংযোগ সড়ক না থাকায় আমাদের ভোগান্তি শেষ হয়নি। এছাড়াও সেতুর ওপর উঠতে প্রায় সময় বাঁশের সাঁকো মেরামত করতে হয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই দ্রুত সংযোগ সড়কটি করে দেওয়া হোক।

কালকিনি উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, সূর্যমনি বাজারে এলজিইডির নির্মিত সেতুটি ইতোমধ্যে নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে। বাজারের পাশের সংযোগ সড়ক বাস্তবায়নে একটু জটিলতা দেখা দেয়। যে কারণে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে দেরি হচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার দাশ বলেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করার বিষয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। আশা করি দ্রুত এর সমাধান হবে।

এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।