গাজায় কোনো সহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েলি বাহিনী। তীব্র শীতে খাবার এবং অন্যান্য সরঞ্জামের ভয়াবহ সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে নিরীহ ফিলিস্তিনিরা। এর মধ্যেই হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার বাহিনী। প্রতিদিনই সেখানে ফিলিস্তিনিরা প্রাণ হারাচ্ছে।
Advertisement
গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। একদিন আগেই গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছে।
দখলদার বাহিনীর হামলায় গাজায় ৪৫ হাজার ৫০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৫ হাজার ৫৪১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৮ ফিলিস্তিনি।
এদিকে ফের ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। এটি ইসরায়েলি ভূখণ্ডে আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে। খবর এএফপির।
Advertisement
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলি ভূখণ্ডে প্রবেশের আগেই ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। সে সময় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে কিছু সময়ের জন্য সাইরেন বেজে উঠেছে।
ইসরায়েলি জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা মেগেন ডেভিড অ্যাডম জানিয়েছেন, ওই ঘটনায় তারা কোনো হতাহতের খবর পাননি।
আরও পড়ুন: ফের ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলে ফের হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইয়েমেনের বন্দর ও জ্বালানি স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৯এর আগে গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ইসরায়েলের বাণিজ্যিক নগরী তেল আবিব এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় আশকেলন শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দুটি ড্রোন হামলা চালায় হুথি বিদ্রোহীরা। এর কয়েকদিন আগেই তেল আবিবে হুথিদের আরেকটি হামলায় ১৬ জন আহত হয়।
টিটিএন
Advertisement