কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে দিনে রাতে থেমে থেমে মিয়ানমারের রাখাইনের চলমান সংঘাতে বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসে। এতে করে এপারের সীমান্তে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে আতঙ্ক।
Advertisement
১০ নভেম্বর রাত থেকে সোমবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত থেমে থেমে আবারও রাখাইনে মর্টারসেল ও হেলিকপ্টার থেকে ছোঁড়া বোমার বিস্ফোরণের শব্দে এপারের টেকনাফ সীমান্তে বাড়িঘর কাপে।
টেকনাফ ও শাহপরীর সীমান্তের বাসিন্দারা বলেন, আমাদের এলাকার অধিকাংশ মানুষ নাফনদী ও সাগরের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। একদিন মাছ ধরতে না পারলে সংসার চালাতে কষ্ট হয়। সীমান্তের বেড়িবাঁধে অনেক মানুষের বসবাস। তারা সবাই মিয়ানমার রাখাইনে আরাকান আর্মি ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে সেখানে বিস্ফোরণের শব্দে ঠিকমত ছোট বাচ্চাসহ রাতে ঘুমাতে পারে না। সব সময় ভয় ও আতঙ্কে থাকে।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেন বলেন, টেকনাফ-সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপের অধিকাংশ মানুষ নাফনদী এবং সাগরে মাছ ধরে সংসার চালায়। মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের কারণে জেলে ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা এবং ট্রলারের মালিকরা এক ধরনের আতঙ্কে থাকেন। অনেক সময় জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমার সীমান্তে থাকা আরাকান আর্মির হাতে আটক হয়। এরকম ঘটনাও ঘটে। সম্প্রতি কয়েকবার বাংলাদেশি জেলে আরাকান আর্মির হাতে আটক হয়েছিল। পরে বিজিবির প্রচেষ্টায় তারা ফেরত আসতে পেরেছেন।
Advertisement
জাহাঙ্গীর আলম/জেডএইচ/এএসএম