দুদিন পরেই খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। শুক্রবার (৯ জুন) নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচারণা চালিয়েছেন মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
Advertisement
প্রচারণায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনার উন্নয়নে শেখ হাসিনার আন্তরিক সহযোগিতার কারণে সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে নগরীতে দুই হাজার ৪০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। শুধু জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্যই প্রধানমন্ত্রী বরাদ্দ দিয়েছেন ৮০০ কোটি টাকার বেশি। অসমাপ্ত এ কাজগুলো আমি সমাপ্ত করতে চাই।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী এসএম শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, খুলনার সবচেয়ে বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা ও সুপেয় পানির স্বল্পতা। আমি নির্বাচিত হলে এ দুই সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে বেশি মনোনিবেশ করবো। এছাড়াও বেকার সমস্যার সমাধান করতে চাই।
আরও পড়ুন: কেসিসি: নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টির গফ্ফার বিশ্বাস
Advertisement
একই রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুল আউয়াল। তিনি বলছেন, নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান করা হবে। বেকার সমস্যার সমাধানসহ ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী খুলনা সিটি করপোরেশন পরিচালনা করা হবে।
নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর ওয়ার্ডবাসীদের সেবা করার জন্য সব রকমের চেষ্টা করেছি। করোনাকালীনও ওয়ার্ডবাসীদের পাশে থেকেছি।
কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাডভোকেট জেসমিন পারভীন জলি বলেন, একজন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীর চেয়ে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তিন-চারটা ওয়ার্ডের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটতে হচ্ছে। মাত্র দুদিন সময় আছে। চেষ্টা করছি এ দুদিনে সবগুলো ওয়ার্ডের ভোটারদের কাছে যেতে।
এবার খুলনা সিটি করপোরেশনে পাঁচজন মেয়ের প্রার্থীসহ ১৭৯ জন প্রার্থী নির্বাচনের অংশগ্রহণ করছেন। ৩১টি ওয়ার্ডে ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন ও পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন।
Advertisement
আলমগীর হান্নান/আরএইচ/জিকেএস