ইউরোপের প্রথম দেশ ফ্রান্স। যেখানে আইন করে হিজাব, ওড়না বা মুখোশ পরে চলাফেরা করাকে নিষিদ্ধ করা হয়। করোনা আতঙ্কে সে ফ্রান্সেই এবার মুখোশ না পরে বা মুখ না ডেকে চলাফেরা করলেই ১৫০ ইউরো জরিমানার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
Advertisement
২০১১ সালের ১ এপ্রিল থেকে ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে সাধারণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় চলাফেরা করার সময় ওড়না বা মুখোশ পরা আইনিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।
করোনায় আক্রান্ত শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৪৬৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ৯১ জন।
View this post on InstagramA post shared by Cardib (@iamcardib) on Sep 28, 2019 at 12:04pm PDT
Advertisement
করোনা আতঙ্কে ফ্রান্সের বিখ্যাত ‘প্যারিস ফ্যাশন সপ্তাহে’ মডেলরা মুখোশ পরেই অংশগ্রহণ করেন। মডেলদের পরিহিত মুখোশগুলো মুসিলম নারীরা সাধারণত হিজাব হিসেবে ব্যবহার করেন।
And here I was told covering your face was objectively offensive and a security threat pic.twitter.com/f4CPtjiauF
— Namira Islam Anani (@namirari) March 8, 2020শুধু ফ্রান্সেই নয়, বিশ্বের অনেক দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় নারী মডেল থেকে শুরু করে সবাই মুখোশ পরছেন। নিরাপত্তার বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রেখেই তারা এ মুখোশ পড়ছেন। কিন্তু ফ্রান্স সবার জন্য মুখোশ পরাকে বাধ্যতামূলক করতে ১৫০ ইউরো জরিমানার আইন জারি করেছে। অথচ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আগে ফ্রান্সে ওড়না বা মুখোশ পরা ছিল নিষিদ্ধ।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সারা বিশ্বের মুসলমানরা নারীদের ওড়না বা মুখোশ পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তকে নিন্দা জানিয়েছিল। সে সময় এ আইনকে ফ্রান্সে বসবাসরত মুসলমান নারীদের ওপর নিপীড়নের উপায় হিসেবেও অভিহিত করা হয়েছিল।
Advertisement
এমএমএস/জেআইএম