ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে আপ্যায়ন বাবদ খরচ হয়েছে ২২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। দুই সিটির নির্বাচনে দায়িত্ব পালকারী কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন বাবদ এ বিল দেখানো হয়েছে। সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার (২২ ডিসেম্বর) দিন থেকে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত (১ ফেব্রুয়ারি) হওয়া পর্যন্ত কর্মকর্তারা এ টাকা খরচ করছেন।
Advertisement
এদিকে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ও নির্বাচনী প্রশিক্ষণ খরচ বাদেই দুই সিটিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৪৩ কোটি ২২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। দুই সিটিতে মোট ভোটার ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ । সে হিসাবে ভোটার প্রতি খরচ হয়েছে ৭৯ টাকারও বেশি। তবে দুই সিটিতে গড়ে ভোটার উপস্থিত ছিল ২৭ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, এবার ঢাকার দুই সিটিতে ৪৩ কোটির বেশি খরচ হলেও ২০১৫ সালের ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট খরচ ছিল ২৭ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ১৮২ টাকা।
বাড়তি খরচ সম্পর্কে ইসির কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভাতার পরিমাণ, অন্যান্য পণ্যের মূল্য, জনবল, ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব কারণে এবার ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে খরচ বেড়েছে।
Advertisement
এবারের উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচন পরিচালনায় ব্যয় হয়েছে ২১ কোটি ২২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের ভাতা ১১ কোটি ৯ লাখ ৮৭ হাজার, ম্যাজিস্ট্রেট ব্যয় দেড় কোটি, পরিবহন খরচ এক কোটি ছয় লাখ ৬৪ হাজার, মনিহারি ব্যয় দুই কোটি ২৮ লাখ ৮৮ হাজার ৪৯০, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অপ্যায়ন ব্যয় ২২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া বাকি টাকার জ্বালানি, মজুরি, যানবাহন ভাড়া, মুদ্রণ ও অন্যান্য খাতে খরচ হয়েছে।
এ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২২ কোটি টাকা। এর মধ্যে পুলিশ-র্যাবসহ আট কোটি, আনসার ৯ কোটি, বিজিবি এক কোটি টাকা খরচ করেছেন। এ ছাড়াও এ খাতে আরও কিছু খরচ রয়েছে।
পিডি/এএইচ/এমএস
Advertisement