শুরুর ধাক্কাটা ওয়ার্নারকে সঙ্গে নিয়ে ভালোই সামাল নিচ্ছিলেন অসি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। তুলে নিয়েছিলেন ক্যারিয়ারের একুশতম হাফ সেঞ্চুরি। তবে এরপর আর খুব বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারলেন না। তাইজুলের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা এই ব্যাটসম্যান। তবে স্মিথ ফিরে গেলে হ্যান্ডসকম্বকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। তিনি তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের পঁচিশতম হাফ সেঞ্চুরি। তাতেই এ রিপোর্ট লেখার সময় অস্ট্রেলিয়ার দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় দুই উইকেটের বিনিমিয়ে ১৩৫।
Advertisement
৯৮ বল খেলে তিনি এই হাফ সেঞ্চুরিটি পূরণ করেন। তবে তিনি বেশ রয়েসয়েই খেলেছেন। বাংলাদেশের বোলারদের কোনোই সুযোগ দিচ্ছেন না তিনি। পঞ্চাশ রান পূরণ করতে তিনি মাত্র দুটি বাউন্ডারি মেরেছেন। ওয়ার্নারের টেস্ট ক্যারিয়ারে রয়েছে ১৯টি সেঞ্চুরিও। চট্টগ্রাম টেস্ট নিয়ে তিনি মোট ৬৬টা টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামার পর দ্বিতীয় ওভারেই অসি শিবিরে আঘাত হানেন মোস্তাফিজ। মুশফিকের দুর্দান্ত ক্যাচে রেনশকে ফেরান বাঁ-হাতি এই পেসার। এরপর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব ঘাড়ে তুলে নেন দুই অভিজ্ঞ অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভেন স্মিথ। দু’জনে মিলে গড়েছিলেন ৯৩ রানের জুটি। ঠিক এ সময় বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই স্মিথকে বোল্ড করেন তাইজুল। আর্ম বল একটুও টার্ন করেনি, ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে আঘাত হানে স্ট্যাম্পে।
এদিকে প্রথম ইনিংসে আগে ব্যাট করে সাব্বির আর মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরির উপর ভর করে ৩০৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। সাব্বির ১৩৬ বল খেলে করেছেন ৬৬ রান ও মুশফিকুর রহীম ২৫২ বল খেলে করেছেন ৬৮ রান। হাফ সেঞ্চুরি না পেলেও দলের পুঁজিতে অবদান রেখেছেন সৌম্য, মুমিনুল ও নাসির। তারা যথাক্রমে করেছেন ৩৩, ৩১ ও ৪৫ রান।
Advertisement
অসিদের হয়ে একাই ৭টি উইকেট নিয়েছেন নাথান লিওন। অপর স্পিনার অ্যাস্টন অ্যাগার নিয়েছেন ২ উইকেট। আর মিরাজ রান আউট হয়েছেন।
এমএএন/আইএইচএস/এমএস