দেশজুড়ে

মহাসড়ক ফাঁকা, বাস কাউন্টারে যাত্রীর অপেক্ষা

মহাসড়ক ফাঁকা, বাস কাউন্টারে যাত্রীর অপেক্ষা

ঈদুল ফিতরে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে নারায়ণগঞ্জের অস্থায়ী কর্মব্যস্ত মানুষেরা ফিরছেন নিজ গ্রামে। তবে গত তিনদিনের তুলনায় রোববার (৩০ মার্চ) টিকিট কাউন্টারগুলোতে যাত্রীর চাপ কম দেখা গেছে।

Advertisement

ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ফাঁকা থাকায় যাত্রী এবং চালকরা স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন। সকালে মহাসড়কের সাইনবোর্ড ও শিমরাইল মোড়, কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড গুলোতে গত তিনদিনে যে পরিমাণ যাত্রীদের ভিড় ছিল, তার চেয়ে তুলনামূলক আজ কম। ফলে টিকিট কাউন্টারের কর্মচারীরা বসে আড্ডা দিয়ে সময় পর করছেন।

বাস কাউন্টারের সামনে থাকা রহমান আলী নামে এক যাত্রী বলেন, আমরা গতকাল ছুটি পেয়েছি। আজ পরিবার নিয়ে গ্রামে যাবো। প্রতিবছর যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হলেও এবার তা হবে না। কারণ সড়ক ফাঁকা রয়েছে।

Advertisement

ফেনী যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষা করছিলেন আসাদুল্লাহ। তিনি বলেন, স্বস্তিতে রাস্তা দিয়ে অল্প সময়ে গ্রামে চলে যেতে পারবো। ৯ দিনের লম্বা ছুটিতে পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করবো।

সেন্টমার্টিন এক্সপ্রেস পরিবহনের কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আজও যাত্রী নেই। গতকাল রাত পর্যন্ত অনেক চাপ ছিল। এবার যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে আগেই চলে গেছে।

শ্যামলী পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা বলেন, এবার উল্টো হইছে। সব বছর শেষ সময়ে যাত্রীর ভিড় থাকে। অথচ এবার উল্টো। আজ কম রয়েছে যাত্রী।

এ বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আবু নাঈম বলেন, এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির এবং আনন্দদায়ক হয়েছে মানুষের। যানজটের কোনো ভোগান্তিতে মানুষকে পড়তে হয়নি। আমি শিমরাইল মোড়ের বাসস্ট্যান্ডে আছি।

Advertisement

কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোরশেদ জানান, এবারের ঈদযাত্রায় মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছে। যানজট নিরসনে আমরা মহাসড়কে আছি।

মো. আকাশ/এফএ/জেআইএম